রবিবার, 4 অক্টোবর 2026
সকল বিভাগ

ইয়েমেনে হুতিদের নতুন হামলায় নিহত ৭

ইয়েমেনের লোহিত সাগর তীরের ঐতিহাসিক বন্দরনগরী আল-মাখায় (মোখা) নতুন করে রকেট ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে হুতি বিদ্রোহী গোষ্ঠী। আকস্মিক এই হামলায় অন্তত সাতজনের জীবনাবসান ঘটেছে এবং আহত হয়েছেন আরও তিরিশজন। কাতারভিত্তিক বার্তা সংস্থা আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এই হতাহতের সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে।

ইয়েমেনের লোহিত সাগর তীরের ঐতিহাসিক বন্দরনগরী আল-মাখায় (মোখা) নতুন করে রকেট ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে হুতি বিদ্রোহী গোষ্ঠী। আকস্মিক এই হামলায় অন্তত সাতজনের জীবনাবসান ঘটেছে এবং আহত হয়েছেন আরও তিরিশজন। কাতারভিত্তিক বার্তা সংস্থা আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এই হতাহতের সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে।

ইয়েমেনি সশস্ত্র বাহিনীর আনুষ্ঠানিক বয়ান অনুযায়ী, রোববারের তাণ্ডবে প্রাণ হারানো ব্যক্তিদের মধ্যে চারজন সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য এবং তিনজন সাধারণ নাগরিক রয়েছেন। আঘাতপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের একটি বড় অংশই প্রাথমিক চিকিৎসার পর হাসপাতাল ত্যাগ করেছেন।

সামরিক দপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই হামলায় নগরীর সাধারণ অবকাঠামো, লোকালয়, বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রসহ বেশ কয়েকটি সামরিক ঘাটিকে লক্ষ্য বানানো হয়েছিল। আক্রমণ চলাকালে সামরিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অন্তত ১১টি চালকবিহীন বিমান বা ড্রোন ভূপাতিত করতে সক্ষম হয়। এছাড়া নিক্ষেপ করা দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র লক্ষচ্যুত হয়ে লোহিত সাগরের বুকে আছড়ে পড়ে।

অন্যদিকে হুতিদের সামরিক প্রবক্তা ইয়াহিয়া সারি দাবি করেন, সৌদি সশস্ত্র বাহিনীর ঘাঁটি ও অস্ত্রাগার লক্ষ্য করে তারা এই হামলা চালিয়েছেন। হুতি সমর্থিত গণমাধ্যম আল-মাসিরাহতে আক্রমণ চলাকালের ক্ষ ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন ছোঁড়ার দৃশ্য সম্প্রচার করা হয়।

এর আগে গত রবিবারও আল-মাখা শহর ও সেখানকার বাণিজ্যিক বন্দরে হুতিদের পৃথক হামলায় অন্তত ১১ জনের প্রাণহানি ঘটে। প্রয়াতদের মধ্যে আটজন সেনা ও তিনজন সাধারণ অধিবাসী ছিলেন, আর আহত হন আরও ৩২ জন।

পূর্ববর্তী হামলায় আল-মাখা সমুদ্রবন্দরের মারাত্মক ক্ষতি সাধিত হয়। দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের মতে, বন্দরের স্থাপনা ও বাণিজ্যিক ভবনগুলো বিধ্বস্ত হয়েছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এপির প্রতিবেদনে নিশ্চিত করা হয়, বন্দরের মূল অবকাঠামোর পাশাপাশি সেখানে থাকা বাণিজ্যিক সামগ্রী ও খাদ্যপণ্য বিনষ্ট হয়েছে।

ইয়েমেনি সরকারি বাহিনীর সূত্রগুলো পরবর্তীতে আরও জানায়, বাণিজ্যিক বন্দর অভিমুখে ধেয়ে আসা একটি বিষ্ফোরকবাহী স্বয়ংক্রিয় নৌযান আগাম চিহ্নিত করে ধ্বংস করে দেওয়া সম্ভব হয়েছে।