আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে যে, উগ্রপন্থী কিংবা অপরাধী চক্রগুলো পুলিশের টহল গাড়ি, জিপ, পিকআপ কিংবা বাসকে লক্ষ্য করে হামলা চালানোর চক্রান্ত করতে পারে।
পুলিশ সদর দপ্তর থেকে প্রেরিত এক জরুরি বার্তায় বিষয়টিকে অত্যন্ত স্পর্শকাতর হিসেবে চিহ্নিত করে কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়। কোনো ধরনের গাফিলতি না করে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের এই সুরক্ষামূলক নির্দেশনাগুলো অক্ষরে অক্ষরে প্রতিপালন করতে বলা হয়েছে। দায়িত্ব পালনরত কর্মকর্তা ও সদস্যদের প্রতি সম্ভাব্য সার্বিক ঝুঁকি মোকাবেলায় সর্বোচ্চ সচেতন থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
নির্দেশনাবলীতে স্পষ্টভাবে জানানো হয়, সচল থাকা অবস্থা কিংবা নির্দিষ্ট স্থানে পার্কিং—যেকোনো পরিস্থিতিতেই সরকারি গাড়ির সুরক্ষায় নজরদারি শিথিল করা যাবে না। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া জনমানবহীন অথবা ঝুঁকিপূর্ণ কোনো স্থানে যানবাহন রাখা পুরোপুরি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কোনো স্থানে সাময়িক যাত্রা বিরতি ঘটলেও নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে রাখতে হবে এবং চালক ও সংশ্লিষ্ট সদস্যদের সার্বক্ষণিক দায়িত্বে নিয়োজিত থাকতে হবে।
পাশাপাশি দেশের প্রতিটি পুলিশ কেন্দ্র, ব্যারাক, কার্যালয় চত্বর এবং সরকারি যানবাহন সংরক্ষণের স্থানগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে বলা হয়েছে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত টহল জোরদার, ফটকগুলোতে নজরদারি বাড়ানো এবং সন্দেহভাজন বস্তু কিংবা ব্যক্তি পরিলক্ষিত হলে তল্লাশি অভিযান পরিচালনার নির্দেশনা রয়েছে।
যেকোনো অপ্রত্যাশিত তৎপরতা বা অভিভাবকহীন বস্তু চোখে পড়লে তা অবিলম্বে ঊর্ধ্বতনদের অবহিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে নাশকতার সম্ভাব্য চক্রান্ত ভেস্তে দিতে গোয়েন্দা তৎপরতা বাড়িয়ে সমন্বিত উদ্যোগে কাজ করতে বলা হয়েছে।