রবিবার, 4 অক্টোবর 2026
সকল বিভাগ

ব্র্যাক ব্যাংকের ৫০ হাজার কোটি টাকার রিটেইল ডিপোজিট মাইলফলক

দেশের ব্যাংকিং খাতে এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছেছে বেসরকারি খাতের ব্র্যাক ব্যাংক। নিজেদের পথচলার রজতজয়ন্তী উদযাপনের বছরে খুচরা আমানত বা রিটেইল ডিপোজিটে একটি বড় মাইলফলক স্পর্শ করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

ব্র্যাক ব্যাংকের ৫০ হাজার কোটি টাকার রিটেইল ডিপোজিট মাইলফলক
ছবি : সংগৃহীত

দেশের ব্যাংকিং খাতে এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছেছে বেসরকারি খাতের ব্র্যাক ব্যাংক। নিজেদের পথচলার রজতজয়ন্তী উদযাপনের বছরে খুচরা আমানত বা রিটেইল ডিপোজিটে একটি বড় মাইলফলক স্পর্শ করেছে প্রতিষ্ঠানটি। ২০২৬ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত পাওয়া হিসাব অনুযায়ী, ব্যাংকটিতে গ্রাহকদের রাখা রিটেইল আমানতের মোট পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫০ হাজার ৩২৪ কোটি টাকায়।

গত কয়েক বছরে ব্যাংকটির এই খাতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে চোখে পড়ার মতো। পরিসংখ্যান পর্যালোচনায় দেখা যায়, বিগত চার বছরে প্রতিষ্ঠানটির খুচরা আমানত প্রায় তিন গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২২ সালের জুন মাসে যেখানে এই জমার পরিমাণ ছিল ১৭ হাজার ৫১৪ কোটি টাকা, চার বছরের ব্যবধানে তা বর্তমান অবস্থানে এসে পৌঁছেছে। কেবল গত এক বছরেই এই আমানত বেড়েছে ৩৮ শতাংশ।

সারা দেশে বিস্তৃত শাখা ও উপ-শাখা নেটওয়ার্কের মাধ্যমে গ্রাহকদের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দেওয়া এই বিশাল অর্জনের পেছনে মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করেছে। এর পাশাপাশি রিটেইল সেলস টিম এবং এজেন্ট ব্যাংকিং কার্যক্রমও আমানত বৃদ্ধিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলেছে।

ব্যবসায়িক এই ঐতিহাসিক অর্জন প্রসঙ্গে ব্র্যাক ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং রিটেইল ব্যাংকিং প্রধান মো. মাহীয়ুল ইসলাম জানান, রজতজয়ন্তীর এই বিশেষ বছরে রিটেইল আমানতে ৫০ হাজার কোটি টাকার ঘর অতিক্রম করা তাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দের ও গৌরবের। তিনি মনে করেন, এই সাফল্য মূলত ডিজিটাল ব্যাংকিংয়ের প্রসার ও মানুষের কাছে আধুনিক সেবা পৌঁছে দেওয়ার চলমান উদ্যোগেরই একটি বড় প্রমাণ। একই সঙ্গে গ্রাহকদের অবিচল ভরসা এবং মাঠ পর্যায়ে কর্মরত কর্মীদের কঠোর পরিশ্রমকেই তিনি এই অগ্রযাত্রার মূল ভিত্তি হিসেবে উল্লেখ করেন।

বর্তমানে শক্তিশালী বিতরণ ব্যবস্থা, আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর সেবা এবং নতুন নতুন ব্যাংকিং সেবা ও পণ্যের মাধ্যমে ব্র্যাক ব্যাংক দেশের শীর্ষস্থানীয় রিটেইল ব্যাংকগুলোর একটিতে পরিণত হয়েছে। ২৫ বছর পূর্তির এই মাহেন্দ্রক্ষণে আর্থিক অন্তর্ভুক্তি আরও জোরদার করা, গ্রাহকদের সঙ্গে আস্থার সম্পর্ক ধরে রাখা এবং টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বজায় রাখার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে ব্যাংকটি।